আলেয়া মান্নান
আমি চাই আমাকে যেনো কখনো মনে না পড়ে।
পৃথিবীর সকল সুখ যেনো তোমায় রাখে ঘিরে।
নিস্তব্ধতায় তুমি ছিলে, নিঃসঙ্গতায় পাশে রবে।
আমি যখন শূন্যতায় থাকবো ভবে।
উদাস মনে চলা তোমার, মন রয় না ঘরে।
আমি অতিষ্ঠ এই বিড়ম্বনার শিকারে,
চলে এলাম আমি কাখৈই পাড়ার চরে।
ভালো থেকো তুমি, পিছু নাহি ফিরে।
সুখ যেন বসত করে তোমার জীবন নীড়ে।
চাই আমি প্রতিটা মুহূর্ত গুলো।
বিধাতা যেনো তোমায় রাখে ভালো।
পৃথিবীর সকল সুখে তুমি সুখী হও।
বলবো না আমার অন্ধকারে তুমি আলো জ্বালাও।
ভালো থেকো তোমার মতো করে।
ফিরব না আমি এই জীবনের তরে।
মনের আকাশে মেঘেদের ভিড় হলো।
মাঝেমাঝে বিজলির চমকায় আলো।
ঝরেপড়া বৃষ্টির ধারাগুলো।
মনের আকাশ ভীষণ কালো।
আমি চাই কখনো যেনো আমাকে মনে না পড়ে।
পৃথিবীর সকল সুখ যেনো তোমায় রাখে ঘিরে।
কবির পরিচিতি
কবি আলেয়া মান্নান, যাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী নাম মোসাঃ আলেয়া খাতুন। তিনি বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলায় এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম ইমাম হোসাইন এবং মাতা মোসাঃ জুবাইদা খাতুন। বর্তমানে তিনি ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে বসবাস করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন মা, সংসারী, চাকুরীজীবী ও জীবনসংগ্রামী মানুষ। শত ব্যস্ততার মাঝেও দিন কাটিয়ে রাতের নীরবতায় তিনি সাহিত্য নিয়ে ভাবেন এবং লেখালেখি করেন। শৈশবে খুব দুরন্ত প্রকৃতির কবি আলেয়া মান্নান ভ্রমণ করতে বেশ পছন্দ করেন। ইতিমধ্যেই তিনি বাংলাদেশের োোঅনেক জেলা ভ্রমণ করেছেন।
সাহিত্য অঙ্গনে তাঁর পদচারণা বেশ মুখর। আজ থেকে প্রায় তিন বছর আগে তাঁর একটি যৌথ বই প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও তাঁর শতাধিক কবিতা বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন পোর্টাল ও ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে। ভবিষ্যতে কবিতার পাশাপাশি গল্প লেখারও ইচ্ছে আছে তাঁর। সন্তানদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁর মূল ভাবনা। তিনি সর্বদা মানুষের আপদে-বিপদে পাশে থাকার চেষ্টা করেন। কবির জীবনধারা অতি সাধারণ। কবি একজন দায়িত্বশীল আদর্শ মানুষ—এটাই তাঁর বড় পরিচয়।
মন্তব্য করুন