বাংলার মুকুল নিউজ ডেস্ক :
রাজনীতির পাশাপাশি মানবিক ও জনবান্ধব কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন বিএনপি নেতা শেখ মোহাম্মদ আবু নাসের। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এই নেতা দলীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আসছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর অনুসারীরা।
শেখ মোহাম্মদ আবু নাসের যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা জানান। এছাড়া আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সভাপতি এবং সংগঠনটির কো-অর্ডিনেটর ও কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের পরিচালনা কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।
ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আবু নাসের শেখ বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। তাঁর অনুসারীদের দাবি, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা মামলা, হয়রানি ও বিভিন্ন প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন। একপর্যায়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। সেখানেও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিয়ে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। শেখ আবু নাসের যুক্তরাজ্যে বিএনপি নেতৃত্বে দেওয়ার কারণে সেখানে গ্রেফতার হন।
তার হাতের একটি আঙ্গুল অকেজো হয়ে পড়ে।
যুক্তরাজ্য বিএনপি রাজনীতির নেতৃত্বের কারণে তার গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ১০ নং ভাটরা ইউনিয়নের বাউরখাড়া গ্রামে। ফ্যাসিবাদ নেতা কর্মীরা তার নিজ বসতবাড়িতে দফাদফা হামলা করে ভাঙচুর করেন। তার ছোট ছোট ভাইকে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়।
মা-বাবা সহ বাড়ির পরিবার পরিজন নির্মম নির্যাতনের শিকার হোন।
রাজনীতির পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডেও তাঁর সম্পৃক্ততার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তাঁদের দাবি, অসহায় পরিবারের সহায়তা, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহযোগিতা, অসচ্ছল পরিবারের সন্তানদের বিয়েতে সহায়তা এবং রমজান, ঈদ ও বিভিন্ন দুর্যোগের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন আবু নাসের শেখ। বিদেশে অবস্থান করেও তিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে তাঁদের খোঁজখবর নিতেন বলে তাঁরা জানান।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী শেখ মো. মোরশেদ আলম ও শাহাদাত শেখ বলেন, দলের দুঃসময়ে আবু নাসের শেখ নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। রাজনৈতিক মামলা পরিচালনা ও বিভিন্ন সংকটে সহযোগিতা করার পাশাপাশি রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে তাঁরা ভবিষ্যতেও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কথা জানান।
শাহাদাত শেখ বলেন, সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রামগঞ্জে আবু নাসের শেখকে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে দেখতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশ দলীয় পর্যায়ে দাবি জানিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত বিএনপির মনোনয়ন পান শাহাদাত হোসেন সেলিম। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আবু নাসের শেখসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও আবু নাসের শেখ দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। একই সঙ্গে মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন তিনি। তাঁদের মতে, রাজনীতির পাশাপাশি সমাজের অসহায় মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর অন্যতম অঙ্গীকার।
মন্তব্য করুন