কাজী মুহাম্মদ ইউনুছ :
লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম চর মনসা গ্রামে বোন -ভগ্নিপতি ও তাঁদের সন্তানদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় (৩০ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার বিকেলে বাবা ও ভাইসহ ৬ জনকে আসামি করে লক্ষ্মীপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট আদালতে মামলা করা হয়েছে। ওই দিন বিকেলে ভুক্তভোগী পরিবার কমলনগর প্রেসক্লাবে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।
এর আগে সোমবার মধ্যরাতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে কমলনগরের পাশ্ববর্তী সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমনসা গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে ট্রাক্টর ট্রলি দিয়ে বোনের বসতঘর ভাঙচুর করে ভাইয়েরা। এসময় নিজের বাবাও উপস্থিত ছিলেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের বেলালের স্ত্রী মনি বেগম বলেন, তিনি ২০১১ সালে তার বাবা মনছুর আহম্মদ থেকে ১৯ শতাংশ জমি কিনেন। ওই জমিতে তখন থেকে বসতঘর তৈরী করে বসবাস করে আসছেন।
কিন্তু বাবা মুনছুর আহমেদ জমি রেজিষ্ট্রেশন দেয়ার সময় ১৯ শতকের মধ্যে ১০শতক রেজিষ্ট্রেশন দেয়। বাকি ৯শতাংশ জমি পরে রেজিষ্ট্রেশন দিবে বলে জানানো হয়। নিয়ে এলাকায় বহুবার সালিশ বৈঠক হয়।
কিন্তু তবুও ওই জমি আমার বাবা আমাকে রেজিষ্ট্রি না দিয়ে আমার ভাইদের রেজিষ্ট্রি করে দেয়। আমার ভাইয়েরা একই জমি অন্য লোকদের নিকট বিক্রি করে দেয়।
এর মাঝে গত দুই তিন বছর থেকে বহুবার আমার ভাইরা আমার পাকঘরসহ বসতঘর ভাঙচুর করে আমার পরিবারকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করে।
মনি বেগম বলেন, সোমবার তার স্বামী চট্রগ্রাম থেকে এসে স্থানীয় বাজার হতে বাড়ি ফেরার পথে তার ভাই মো. মিজান, মো. ফারুক, বাবা মুনছুর আহমেদ, ভগ্নিপতি জহির, ভাগিনা মান্নান ও রিয়াজ আমার স্বামী বেলালকে দেশীয় অস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতি কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়।
তার চিৎকার শুনে আমি ও আমার ছেলে উদ্ধার করতে গেলে আমাদেরও পিটিয়ে জখন করে। পরে স্থানীয়রা আমাদেরকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মনি বেগমের স্বামী বেলাল হোসেন, বেলালের ভাই জাকির হোসেন প্রমুখ।
মন্তব্য করুন