
ফিরোজ আলম পরশ :
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী রামগতি উপজেলা মেঘনা নদী তীরশনিবার (১৪ মার্চ) সকালে বাঁধের বিভিন্ন পয়েন্ট পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের শুরুতে তিনি আলেকজান্ডার আসল পাড়া বেড়িবাঁধ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সামনের বেড়িবাঁধ চরআলগী গ্রাম এলাকার বেড়িবাঁধের চলমান কাজের খোজ খবর নেন। এসময় স্থানীয় জনগণ মন্ত্রীকে পেয়ে কাজের ধীরগতি ও নিম্নমানে পাথর ও বালি ধারা ব্লক তৈরি সম্পর্কে অভিযোগ করেন।
এসময় তিনি মেঘনা নদী তীর রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক হাসান মাহমুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং কাজের মান তদারকি করতে নির্দেশ দেন।
এসময় মন্ত্রীর সাথে ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ লক্ষ্মীপুর -৪ রামগতি- কমলনগরের সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান এমপি, রামগঞ্জ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম এমপি, পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক।
তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক হাসান মাহমুদ নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খান এবং উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ইমতিয়াজ মাহমুদ, উপসহকারী প্রকৌশলী নাঈম, জেলা বিএনপির শাহাবুদ্দিন সাবু সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট হাসিবুর রহমান।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ জামাল উদ্দিন, রামগতি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল, রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন নিপা, রামগতি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি লিটন দেওয়ান সহ বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।
মন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন ভুলুয়া নদী হচ্ছে রামগতি বাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কারন, এ নদী খনন দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের জন মানুষের দাবি এই নদী খনন কাজ ডিফিকাল্ট কেননা এ নদীর দু’পাশে অবৈধ বসতি গড়ে উঠেছে, মাছ ধরার নামে বাঁধ নির্মাণ করে ও মাছ চাষের আয়োজন চলছে।
প্রভাবশালী এসব সিন্ডিকেট ভেঙ্গে নদী খনন কাজ করাটা কঠিন হলেও তা আমরা করে ছাড়বো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানে কে অবহিত করে এবং প্রকল্প পাশ করে কাজ শুরু করব যার ফলে এ অঞ্চলের মানুষ জলাবদ্ধতা মুক্তি পাবে।
হাজার হাজার একর ভূমি চাষের উপযোগী করার পাশাপাশি ইরিগেশনের ব্যবস্থা করা আমাদের কাজ। পরে মন্ত্রী চরপোড়াগাছা ইউনিয়নের রাতাচোরা স্লুইস গেইট এলাকার ভুলুয়া নদীর ভরাট অংশ ঘুরে দেখেন, শেষে তিনি বিকেলে কমলনগর উপজেলা বিএনপির আয়োজনে ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।