রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা শহরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখল করে বাসভবন নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রামগঞ্জ পৌরসভার সোনাপুর ওয়াপদা সড়ক জননী স্টিল ফার্ণিচার হাউজের পাশে পাউবোর জায়গা দখল করে পাকা বাসভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করেছে একটি মহল। কেউ যেন বুঝতে না পারে সামনে দোকানের চার্টার লাগিয়ে ভেতরে দিন রাত নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সোনাপুর গ্রামের নূরুল হক আটিয়ার ছেলে ইমন নামের এক ব্যক্তি। সরেজমিন দেখা যায়, পাউবো কলোনির সামনে
থানার পেছন থেকে সোনাপুর উত্তর বাজার পর্যন্ত পাউবোর খাল ও বেড়িবাঁধ পাড় দখল করে শতাধিক দোকান নির্মাণ করে প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষ দখলদারদের বিরুদ্ধে এ যাবত কোন ব্যবস্হা নেয়নি। জানা গেছে, রামগঞ্জ থেকে চাঁদপুর সেচ প্রকল্পের ২২ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রয়েছে। বাঁধ তৈরির পর থেকে স্হানীয় প্রভাবশালী মহল বিভিন্ন
সময়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে খালের পাড় দখল করে পাকা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসত ঘর নির্মাণ করে চলছে। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে যৌথবাহিনি অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ করে সম্পূর্ণ বাঁধ দখল মুক্ত করে। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ভূমিদস্যুরা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পাউবোর অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বাঁধের দুইপাশের সম্পত্তি দখল করে পাকা ভবন নির্মাণ করছে। ভূমিদস্যরা কেউ কেউ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসত ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে আবার কেউ কেউ পজিশন বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। পাউবোর সম্পত্তির উপর স্থাপনা গুলো এক শ্রেণির চাঁদবাজদের আয়ের উৎস ও মাদক ব্যবসায়ীদের নিরাপদ স্পষ্টে পরিনত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রামগঞ্জের সুশীল সমাজের লোকজন মনে করেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কতৃপক্ষ ও স্হানীয় প্রশাসন দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কোন ব্যবস্হা গ্রহণ না করলে বাকি পাউবোর সম্পত্তি দখল হয়ে যাবে। এ সংবাদ সোস্যাল মিডিয়া প্রকাশ হলে গতকাল সোমবার( ২ মার্চ) দুপুরে লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের রামগঞ্জের দ্বায়িত্ব রত এসো সাকিল আহম্মেদ,লক্ষ্মীপুর রাজস্ব বিভাগের সহকারী মোঃ শাহীন, রামগঞ্জ উপজেলা ভূমি সার্ভেয়ার আব্দুর সালাম, উপজেলা ভূমি কানুনগো মোঃ মাহফুজ খান খান, পৌর ভূমি তহসিলদার মোঃ ইলিয়াস হোসেন ঘটনাস্থল সরেজমিন দেখেন, এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
মন্তব্য করুন