Header Border

ঢাকা, শনিবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) ২৯.৯৬°সে
শিরোনাম:
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনাকে অশেষ ধন্যবাদ কভিড-১৯ এর কারণে বাংলাদেশের সবচেয়ে সংকটের কবলে শিক্ষাখাত শিক্ষকরা অন্য কোনো পেশা না পেয়ে ঘটনা চক্রে শিক্ষকতা পেশায় এসেছে সব মোবাইলের জন্য একই চার্জার বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব গলায় ফাঁস দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা রামগঞ্জে চা-দোকানদার সামছুল হকের বিচার কান্দে নিরবে রাজশাহীতে মামলার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, দুই কর্মকর্তাসহ ৬ পুলিশ বরখাস্ত রামগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা-১০ হাজার টাকা মোমিনুর রহমান মামুনকে সরিয়ে আনিসুলকে নতুন কারা মহাপরিদর্শক নিয়োগ মানিকগঞ্জে করোনা উপসর্গ নিয়ে মেধাবী স্কুলছাত্রীর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

লক্ষ্মীপুরে তাহের হত্যা মামলায় ২০ জনেই খালাস !

লক্ষীপুরে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় তাহের হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ২০ আসামিকেই খালাস দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন। জজ আদালতের সরকারি কৌঁশুলি (পিপি) জসিম উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রাতের অন্ধকারে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ সময় সাক্ষীরা অপরাধীদের দেখেনি। সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণে এজাহারে উল্লেখিত আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছে। এ জন্য বিজ্ঞ বিচারক তাদের খালাস প্রদান করেছেন। রায়ের সময় আদালতে সাত আসামি উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাহের দত্তপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সন্ত্রাস বাহিনীর প্রধান নূর হোসেন শামীমের সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন। ২০১২ সালের ১০ অক্টোবর দিবাগত রাতে শামীমের দত্তপাড়ার শ্রীরামপুর গ্রামের বাড়িতে তাহেরকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়।

পরের দিন তাহেরের বাবা ফজলুল করিম বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১০ জনকে আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামিদের মধ্যে দুইজন বিএনপি নেতা ও বাকিরা স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ছিলেন। ওই মামলার প্রধান সাক্ষী ছিলেন বাহিনী প্রধান শামীম। ২০১৩ সালের ১৫ মে শামীম পার্শ্ববর্তী দিঘলী ইউনিয়নের আরেক সন্ত্রাসী বাবুল বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

আদালত ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, হত্যা মামলায় পুলিশি তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো সত্যতা মেলেনি। এতে মামলার পরবর্তী সময়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী আলাউদ্দিন আদালতের এজাহারভুক্ত আসামিদের নির্দোষ উপস্থাপন করে প্রতিবেদন জমা দেন। এতে বাদী ফজলুল করিম সন্তুষ্ট ছিলেন না।

তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেয়। তদন্ত শেষে তখন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির উপ-পরিদর্শক (এসআই) বসু দেব শীল এজাহারভুক্ত ১৭ আসামি ও আরও তিন আসামির নাম উল্লেখ করে ২০১৫ সালের ২২ আগস্ট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।

এর ভিত্তিতে দীর্ঘ শুনানি ও ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। সাক্ষীদের সাক্ষ্য অনুযায়ী আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হয়। বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) আদালতের বিচারক তাদের খালাস প্রদান করেন।

শেয়ার করুন:

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

রামগঞ্জে চা-দোকানদার সামছুল হকের বিচার কান্দে নিরবে
রামগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা-১০ হাজার টাকা
লক্ষ্মীপুরে ইউপি কমপ্লেক্স ভবন ও বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সরকার বদ্ধ পরিকর: এমপি নয়ন
লক্ষ্মীপুর জেলা যুবলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের পেটানোর অভিযোগ
চার বছরে কাজ হয়েছে মাত্র ৪৮ ভাগ! ৩৪ বিদ্যালয় নির্মাণ কাজের মাঝ পথে উধাও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান

আরও খবর

সম্পাদক প্রকাশক: এ.কে.এম. মিজানুর রহমান মুকুল