বাংলার মুকুল নিউজ ডেস্ক :
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন মইনুদ্দিন মোল্লা ভুট্রো। তাকে ঘিরে ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজার, দোকানপাট, পাড়া-মহল্লায় সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

মইনুদ্দিন মোল্লা ভুট্রো ভোলাকোট ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী। তার সমর্থকদের দাবি, তিনি ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলের নেতাকর্মীদের পাশে রয়েছেন। বিভিন্ন নির্বাচন এবং দলীয় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কাউন্সিলেও তিনি বিদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য রেখে দেশে এসে অংশ নিয়েছেন বলে তারা জানান।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মইনুদ্দিন মোল্লা ভুট্রো ভোলাকোট ইউনিয়নের পাশাপাশি রামগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নে মসজিদ-মাদ্রাসা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করে আসছেন। তার উদ্যোগে ভোলাকোট ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় দুই শতাধিক সোডিয়াম লাইট স্থাপন করা হয়েছে বলেও স্থানীয়রা জানান। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও মানবিক সংগঠনে তিনি আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে থাকেন বলে দাবি করা হয়েছে।
ভোলাকোট ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. হোসেন আহমেদ, আব্দুল্লাহ পাঠান, আমির হোসেন ও আব্দুল মান্নানসহ কয়েকজন বলেন, “মইনুদ্দিন মোল্লা ভুট্রোর মতো একজন সমাজসেবী ব্যক্তি চেয়ারম্যান হলে আমরা নিজেদের গর্বিত মনে করব। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করে আসছেন।”
তারা আরও বলেন, ইউনিয়নে অনেক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও বিত্তশালী ব্যক্তি থাকলেও মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে মইনুদ্দিন মোল্লার ভূমিকা স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনায় রয়েছে। দলীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় মানুষের মতামত বিবেচনার দাবি জানান তারা।
চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে মইনুদ্দিন মোল্লা ভুট্রো বলেন, “মানবিক কাজ করতে জনপ্রতিনিধি হওয়া জরুরি নয়। তবে ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে হলে তাদের পছন্দের ব্যক্তিদের দলীয়ভাবে সমর্থন করা উচিত। এতে জনগণ ও দলের উভয়েরই উপকার হবে।”
তিনি বলেন, “আমার বাবা মরহুম এরশাদ হোসেন মেম্বার সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিয়াউল হক জিয়ার সঙ্গে রাজনীতি করেছেন। আমিও বাবার সঙ্গে থেকে অদ্যাবধি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে বিএনপির রাজনীতি করে আসছি।”
মইনুদ্দিন মোল্লা আরও বলেন, “স্থানীয় ভোটার ও সমর্থকদের মতামতের ভিত্তিতে দল আমাকে সমর্থন করবে বলে আমি আশা করি। আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব শতভাগ পালনের চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।”
এদিকে ভোলাকোট ইউনিয়নের স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হলে প্রার্থিতার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে তারা মনে করছেন।