
মিজানুর শামীমঃ রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি'র দায়িত্ব নেয়ার পরে নীলফামারী জেলা সফরে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের মাদক, অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়ে আরও দক্ষ ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে বলেন। এছাড়া শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও সময়ানুবর্তিতা, আধুনিক ও জনবান্ধব করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। কর্মস্থলে একটি সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রযুক্তি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।
৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার জেলা সফরের শুরুতে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডিআইজিকে ফুলেল শুভেচ্ছা এবং গার্ড অব অনার দেয়া হয়। পুলিশ লাইন্স, নীলফামারীতে ডিআইজিকে শুভেচ্ছা জানান। এছাড়া পুলিশ লাইন্স অস্ত্রাগার প্রাঙ্গণে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন তিনি। পরে নীলফামারী পুলিশ লাইন্স পুকুরঘাটে বৃক্ষরোপণ করেন ডিআইজি। তিনি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ সভায় অংশগ্রহণ করেন এবং সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। কল্যাণ সভায় ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ জেলার পুলিশ সদস্যদের শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও সময়ানুবর্তিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে মাদক ও অনলাইন জুয়া থেকে দূরে থাকা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার প্রতি যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
ডিআইজি মাবুদ বলেন, একজন পুলিশ সদস্যের শক্তি শুধু তাঁর ইউনিফর্মে নয়, তাঁর শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব, সততা ও দায়িত্ববোধে। কর্মস্থলে একটি সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রযুক্তি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি ভবিষ্যৎ পুলিশিংকে আরও দক্ষ, আধুনিক ও জনবান্ধব করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রাখার আহ্বান জানান এবং অপপ্রচার বা বিভ্রান্তির মাধ্যমে এ সম্প্রীতি বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সফরের বিভিন্ন পর্যায়ে নীলফামারী জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।