মিজানুর শামীম:
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভাট্রা ইউনিয়নের দল্টা বাজারে দোকানের সীমানা নিয়ে দুই পক্ষের মাঝে বিরোধের খবর পাওয়া গেছে। এতে করে বিপাকে পড়েছে এক পক্ষের ভাড়াটিয়া সুজন দাস। ১৫ জুলাই বুধবার বিকেলে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের দল্টা বাজারে সরেজমিনে গিয়ে ভুক্তভোগী ভাড়াটিয়া সুজন দাসের মুদি দোকানটি তখন পর্যন্ত তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা গেছে। দুই লিজ গ্রহিতার দোকানের সীমানা কেন্দ্রিক বিরোধ দেখা দিলে এক পক্ষ অন্য পক্ষের দোকানে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তালা দেয়। এ নিয়ে ওই এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, দল্টা এলাকার মৃত সৈয়দ আহমেদ পাটোয়ারীর পুত্র জসিম উদ্দিন পাটোয়ারী ও মৃত ইব্রাহিম ভূঁইয়ার পুত্র আবদুল সাত্তার উপজেলা ভূমি অফিস থেকে দল্টা মৌজার ১নং খতিয়ানের আরএস ৩১৬৫ দাগে প্রত্যেকে ০.০০৩৯ একর বাজারের চান্দিনা ভিটা লিজ মূলে মালিক হয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। অন্যদিকে পাশের দোকানের লিজ গ্রহিতা আবু তাহেরও জনৈক কৃষ্ণ দাসের পুত্র সুজন দাসের কাছে তাঁর দোকানটি ভাড়া দেয়।
ভুক্তভোগী ভাড়াটিয়া সুজন দাস বলেন, আমি আবু তাহেরের ভাড়াটিয়া। পাসের দোকানের মালিক জসিমদের সাথে আবু তাহেরের দোকানের সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে। এতে করে জসিম- সাত্তারদের পক্ষে সুমন, যুবদল নেতা পলাশ ও জসিম নিজে এসে বুধবার সন্ধায় আমার মুদি দোকানের সাটারে তালা মেরে দিয়েছে। আমি বাজার কমিটির সভাপতির কাছে বিষয়টি জানিয়েছি। আমার কি অপরাধে আজ দুইদিন আমার দোকান তালা বন্ধ করে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কেহ সমাধান করছে না। আমি এখন কি করবো তা বুঝতে পারছি না।
অভিযোগের বিষয়ে জসিম বলেন, আমার দোকানের পিছনের দিকে আমার অংশের সরকারি ফাঁকা জমি বেশি দখল করে তাহের গংরা বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পাকা বিল্ডিং করেছে। এ বিষয়ে আলোচনা আসার জন্য বাজারের স্হানীয় গণ্যমাণ্য বক্তিরা তাহেরদের দোকান কয়েক দিন বন্ধ রাখার জন্য বলেছে। ভাড়াটিয়া সুজনের দোকান কে তালা দিয়েছে বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।
ভাড়াটিয়া সুজনের দোকান মালিক আবু তাহেরের পুত্র জাকির হোসেনের নিকট মুঠোফোন জসিমদের দোকানের পিছনে আপনারা বেশি জমি দখল করে পাকা বিল্ডিং করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, আমি এখন ছেলের চিকিৎসার জন্য মাইজদি আছি। পরে কথা বলবো বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এ বিষয়ে জানার জন্য স্হানীয় ভূমি অফিসের কর্মকর্তা জাহিরের মুঠোফোন একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আতিকুর রহমান নিকট মুঠোফোন বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। ভুক্তভোগীকে বলেন আমার নিকট অভিযোগ দেওয়ার জন্য।