রামগঞ্জ প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে প্রান কোম্পানির এস আর সাগর হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতারনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রতারক সাগর হোসেনের বাড়ি মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার চরজোকা গ্রামে।
তার বাবার নাম মোঃ শুকুর হোসাইন এবং মাতার নাম আসমানী বেগম।
স্থানীয় সূত্র এবং ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক বছর থেকে মোঃ সাগর হোসেন রামগঞ্জে প্রান কোম্পানিতে এস আর পদে চাকরি করে আসছেন। সে সুবাদে তিনি ভুক্তভোগীদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন।
আর এ সুসম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে প্রান কোঃ ডি এস আর মোঃ রাকিব হোসেনের কাছ থেকে দুই বারে মোট ২৫০০০ টাকা ধার নেন, দুই মাসের মধ্যে পরিশোধ করবেন বলে। সোনাপুর বাজার চিতোষী রোডে অবস্থিত নিউ আল্লাহর দান স্টোরের মালিক মোঃ হাতেম আলী এর কাছ থেকে দীর্ঘদিন থেকে মুদি মালামাল ক্রয় করার কারনে বাকি খাতায় টাকার পরিমাণ দাড়িয়েছে ৮ হাজার ২৬৩ টাকা, প্রান কোম্পানির তার আরেক সহকর্মীর থেকে ধার নেন ১ হাজার টাকা, ইফাদ গ্রুপের এস আর মোঃ জহিরুল ইসলামের কাছ থেকে নিয়েছেন ৫ হাজর ৫০০ টাকা, আবুল খায়ের কোম্পানির এস আর মোঃ আরিফ হোসেন থেকে নিয়েছেন ১২ হাজার ৫০০ টাকা, প্রান কোম্পানির রামগঞ্জ থানার ডিলার মেসার্স তছলিম ট্রেডার্সের মালিক মোঃ বাবলুকে মার্কেটের বাকী দেখান ৩৫ হাজার টাকা।
পরবর্তীতে সেই টাকাও মার্কেট থেকে তুলে নেন সাগর।
এছাড়াও, সাগর যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন, বাড়ির মালিক মোসা. শামছুর নাহারের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা হাওলাত বাবদ এবং ৭ মাসের বাড়ি ভাড়া ২১ হাজার টাকা ও ৭ মাসের কারেন্ট বিল ৩ হাজার ১৫০ টাকা কোনটাই পরিশোধ করেননি।
ভুক্তভোগীরা জানায়, প্রতারক সাগর কোম্পানি থেকে নাকি ৬০হাজার টাকা পাবে আর সেই টাকা পাওয়ার সাথে সাথেই সে আমাদের পাওনা পরিশোধ করে দিবে। অথচ সে কোম্পানি থেকে পাওনা টাকা নিয়ে আমাদেরকে কোন টাকা না দিয়ে সুকৌশলে পালিয়ে যায়।
আমরা তার পালিয়ে যাওয়ার খবর জানতে পেরে তার মোবাইলে বার বার কল দিলেও তার সাথে যোগাযোগ করতে পারিনি। এদিকে আমরা খবর পাই তার কিছু মালামাল এস এ পরিবহনে বুকিং করা আছে, তৎক্ষনাৎ আমরা এস এ পরিবহনে গিয়ে কতৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করলেও মালামাল আটকাতে পারিনি।
ধারনা করা যায়, সে আরো অনেকের সাথে প্রতারনা করতে পারে।
আমরা প্রতারক সাগরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
প্রান কোম্পানির ডিলার মোঃ বাবলু
জানান, সাগরের বিরুদ্ধে প্রতারনার অনেক অভিযোগ শুনেছি। সে আমার সাথেও প্রতারনা করে মার্কেটে বাকী দেখানো ৩৫ হাজার টাকা তুলে নিয়ে যায়।