Header Border

ঢাকা, সোমবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) ২৫°সে
শিরোনাম:
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে লক্ষ্মীপুরে মৎস্যজীবি লীগের র‌্যালী ও আলোচনা সভা লক্ষ্মীপুরে অক্টোবর মাসে শ্রেষ্ঠ ওসি সদর থানার আজিজুর রহমান লক্ষ্মীপুরে সেপ্টেম্বর মাসে শ্রেষ্ঠ ওসি রায়পুর থানার আবদুল জলিল লক্ষীপুরে পাওয়া মানিব্যাগ ফেরত দিলেন কৃষকলীগ নেতা মামুন লক্ষ্মীপুরে মাস্ক না পড়ায় ৩০ জনকে জরিমানা জন্মদিনে ভালোবাসায় সিক্ত লক্ষ্মীপুর জেলা আ’লীগের সম্পাদক এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন লক্ষ্মীপুরে ঠান্ডায় বাড়ছে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা লক্ষ্মীপুরে পাউবোর জমি দখলে তহশিলদারের পাঁয়তারা হাজী সেলিমের ভবন দেখে থেমে গেল উচ্ছেদ অভিযান যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড? রিভিউ রায় ১ ডিসেম্বর

রায়হান হত্যা মামলার প্রধান আসামি এসআই আকবর গ্রেপ্তার

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতন করে রায়হান আহমদ হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি ও ওই ফাঁড়ির বরখাস্ত ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৯ নভেম্বর সোমবার সকালে কানাইঘাট সীমান্ত থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান জানিয়েছেন, সকালে কানাইঘাট সীমান্ত থেকে বিজিবি এসআই আকবরকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।

গত ১১ অক্টোবর রাতে নগরীর আখালিয়ার নেহারিপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে রায়হান আহমদকে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতন ও তার মৃত্যুর পর ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন গা-ঢাকা দেন।

১৩ অক্টোবর বিকেলে তিনি এসএমপির তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হওয়ার পরই ওইদিন রাত থেকে গায়েব হয়ে যান। গা-ঢাকা দেওয়ার আগে নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকার কালীবাড়ি রাস্তার মুখে অবস্থিত ফুলকলি নামের একটি মিষ্টির দোকানে তাকে দেখা গেছে। এর আগে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ি ছাড়ার আগে সেখানকার সিসিটিভির হার্ডডিস্কও পরিবর্তন করেন আকবর।

যেভাবে ধরা পড়লেন এসআই আকবরঃ

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) বন্দরবাজার ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান আহমদ নিহতের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সাময়িক বরখাস্ত এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে সীমন্ত এলাকা থেকে ভারতীয় খাসিয়ারা আটক করে স্থানীয় বাংলাদেশিদের কাছে তুলে দেয়। পরে বিজিবির মাধ্যমে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

খাসিয়ারা আকবরকে কোমরে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখেছিল। ওই সময় তাকে বলতে শোনা গেছে, তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হতে পারে সেজন্য তিনি ভারতে আশ্রয় নেন। দুই মাস পরে পরিবেশ শান্ত হলে তাকে ফিরতে বলা হয়। খাসিয়াদের ধারণ করা একটি ভিডিও ক্লিপ সামমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পরেছে।

রায়হান হত্যার দু’দিন পর গা ঢাকা দেন এসআই আকবর। পালিয়ে যান ভারতে। ঘটনার ২৮ দিনের মাথায় ৯ নভেম্বর সোমবার সকালে ভারতের ডনা বস্তির খাসিয়ারা ভারতের অভ্যন্তর থেকে এসআই আকবরকে আটক করে। ৮ নভেম্বর রোববার রাতে তাকে আটক করে বেধে রাখা হয়েছিল বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। সোমবার দুপুরে কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী ডনা এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের কাছে খাসিয়ারা তাকে তুলে দেয়। বিকেল ৩ টার দিকে তাকে কানাইঘাট থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

গত ১১ অক্টোবর রাতে রায়হানকে নগরীর কাষ্টঘর থেকে ধরে আনে বন্দরবাজার ফাঁড়ি পুলিশ। ভোরে ওসমানী হাসপাতালে তিনি মারা যান। রায়হানের পরিবারের অভিযোগ, ফাঁড়িতে ধরে এনে রাতভর নির্যাতনের ফলে রায়হান মারা যান। ১১ অক্টোবর রাতে রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি বাদি হয়ে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু আইনে মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছে। ইতোমধ্যে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে এএসআই আশেক এলাহি, কনস্টেবল হারুনুর রশিদ ও টিটু চন্দ্র দাসকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছে পিবিআই।

সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান জানিয়েছেন, কানাইঘাটের ডনা সীমান্ত থেকে এসআই আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে কানাইঘাট থানায় রয়েছেন। এদিকে গ্রেপ্তারকৃত আকবরকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে পারে পুলিশ।

শেয়ার করুন:

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

লক্ষ্মীপুরে মাস্ক না পড়ায় ৩০ জনকে জরিমানা
হাজী সেলিমের ভবন দেখে থেমে গেল উচ্ছেদ অভিযান
যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড? রিভিউ রায় ১ ডিসেম্বর
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘নিভার’
লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক স্ব-পরিবার করোনায় আক্রান্ত
প্রধানমন্ত্রীর সেলাই ও মাছ ধরার ছবি ফেসবুকে ভাইরাল

আরও খবর

সম্পাদক প্রকাশক: এ.কে.এম. মিজানুর রহমান মুকুল